19-Wed-Dec-2018 02:30pm

Position  1
notNot Done

মোহাম্মদ উল্ল্যাহ

zakir

2018-01-14 13:04:27

বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাজনীতিক মোহাম্মদউল্লাহ বাংলাদেশের ৩য় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯২১ সালের ২১ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার সাইচা গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা মুনশী আবদুল ওয়াহাব ছিলেন একজন সমাজসেবক। তিনি ১৯৩৮ সালে লক্ষ্মীপুর হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পাস করেন এবং ১৯৪৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে বি.এ (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি কলকাতার রিপন কলেজ থেকে ১৯৪৮ সালে এলএলবি ডিগ্রি এবং ঐ বছরই পুনরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি  ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৫০ সালে ঢাকা জেলা কোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন এবং ১৯৬৪ সাল থেকে ঢাকা হাইকোর্টে আইন ব্যবসায়ে যোগ দেন।
মোহাম্মদউল্লাহ ১৯৫০ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগে যোগদান করেন এবং ১৯৫২ সালে পূর্ব বাংলা আওয়ামী মুসলিম লীগের দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি এ দলীয় পদে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বহাল ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছয়দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে (১৯৬৬) স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং কয়েকবার কারাবরণ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মোহাম্মদউল্লাহ মুজিবনগরে বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে (১৯৭২) মোহাম্মদউল্লাহ ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হন। স্পীকার শাহ আবদুল হামিদের মৃত্যুর পর তিনি ভারপ্রাপ্ত স্পীকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরে স্পীকার পদে নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য এবং সংসদের স্পীকার নির্বাচিত হন। মোহাম্মদউল্লাহ ১৯৭৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি এ পদে বহাল ছিলেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রিসভায় ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে ভূমি প্রশাসন ও ভূমি সংস্কার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর তাঁকে প্রজাতন্ত্রের উপরাষ্ট্রপতি করা হয়।
ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। ১৯২১ সালের ২১ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার সাইচা গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা মুনশী আবদুল ওয়াহাব ছিলেন একজন সমাজসেবক। তিনি ১৯৩৮ সালে লক্ষ্মীপুর হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পাস করেন এবং ১৯৪৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে বি.এ (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি কলকাতার রিপন কলেজ থেকে ১৯৪৮ সালে এলএলবি ডিগ্রি এবং ঐ বছরই পুনরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি  ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৫০ সালে ঢাকা জেলা কোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন এবং ১৯৬৪ সাল থেকে ঢাকা হাইকোর্টে আইন ব্যবসায়ে যোগ দেন।
মোহাম্মদউল্লাহ ১৯৫০ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগে যোগদান করেন এবং ১৯৫২ সালে পূর্ব বাংলা আওয়ামী মুসলিম লীগের দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি এ দলীয় পদে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বহাল ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছয়দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে (১৯৬৬) স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং কয়েকবার কারাবরণ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মোহাম্মদউল্লাহ মুজিবনগরে বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে (১৯৭২) মোহাম্মদউল্লাহ ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হন। স্পীকার শাহ আবদুল হামিদের মৃত্যুর পর তিনি ভারপ্রাপ্ত স্পীকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরে স্পীকার পদে নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য এবং সংসদের স্পীকার নির্বাচিত হন। মোহাম্মদউল্লাহ ১৯৭৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি এ পদে বহাল ছিলেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রিসভায় ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে ভূমি প্রশাসন ও ভূমি সংস্কার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর তাঁকে প্রজাতন্ত্রের উপরাষ্ট্রপতি করা হয়।