17-Mon-Dec-2018 07:43am

Position  1
notNot Done

বইমেলায় লেখক, প্রকাশক এবং সাংবাদিকদের জন্য আলাদা গেট

zakir

2018-01-19 08:19:04

নিজস্ব প্রতিবেদক:  কয়েকদিন পর শুরু হবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৮। এবারের আয়োজন আরও জমজমাট হবে আশা প্রকাশ করেছেন মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহমেদ। এবারের মেলায় লেখক-প্রকাশক-সাংবাদিকদের জন্য থাকবে আলাদা প্রবেশপথ থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ড. জালাল আহমেদ  বলেন: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের বারোটি ছোট লেন আছে। এখান থেকে একটি লেন তথা গেট আমরা সংরক্ষিত রাখবো লেখক, প্রকাশক, সাংবাদিক ও বয়স্কদের জন্য। প্রয়োজনে লেখকদের পরিচয় পত্র সরবরাহ করা হবে।

এবারের মেলার পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন: মেলা যেন পাঠক-ক্রেতা-লেখক বান্ধব হয় সেদিকে খেয়াল রাখছি। বুধবার মেলা পরিচালনা কমিটির মিটিং ছিল। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার মেলার আকার এবং স্টল বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবদিক বিবেচনায় এবার একটি সফল মেলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

গতবারের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশাপাশি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণেও মেলা বসবে। লিটলম্যাগ চত্বর, এনজিও এবং মিডিয়াগুলো বসবে বাংলা একাডেমীতে। লিটলম্যাগ প্রকাশকরা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে থাকতেই বেশি পছন্দ করে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন: টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বর, পুরোটাই বইমেলার বলয়। পুরো অংশ নিয়েই আমাদের অভ্যস্ত হতে হবে।

সারাদেশ থেকে আসা পাঠকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে মেলা ঘুরতে এবং বই কিনতে পারেন তার সব ব্যবস্থাই রাখা হচ্ছে এবার। পাঠকদের জন্য মনোরম সজ্জার পাশাপাশি তাদের বসার স্থান বাড়ানো এবং পর্যাপ্ত ও উন্নতমানের টয়লেটও স্থাপন করা হচ্ছে। এবার মোড়ক উন্মোচনের মঞ্চ আরও দৃষ্টিনন্দন এবং বড় করে তৈরি করা হবে। সে সঙ্গে নতুন বইয়ের স্টলও বড় করা হবে।

বইমেলা রাত আটটায় বন্ধ হয়ে যায়। মিরপুর বা উত্তরাসহ এইদিক থেকে কেউ অফিস শেষে বা দোকান বন্ধ করে মেলায় আসতে পারেন না। যানজট তো আছেই। তবু বাস্তবিক কারণে মেলার সময় বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা কম বলে তিনি জানান। তারপরও মেলা পরিচালনা কমিটির মিটিংয়ে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মূলত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শে মেলার সময়সীমা আটটা পর্যন্ত করা হয়। তারা যদি নিরাপত্তা দিতে পারে বাংলা একাডেমির রাত নয়টা পর্যন্ত মেলা পরিচালনা করতে সমস্যা নেই। নিরাপত্তা বাহিনীর সাড়া পেলে রাত নয়টা পর্যন্ত করা যাবে বলে জানান ড. জালাল আহমেদ।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেই অগ্রাধিকার দিয়ে মেলার আয়োজন হচ্ছে। মেলায় আগতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যে ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার তার সবই নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।