17-Mon-Dec-2018 07:39am

Position  1
notNot Done

‘আমাকে স্বাধীনতা দাও, নয়তো মৃত্যু’

zakir

2018-01-19 12:08:18

দ্য পলিটিক্স ডেস্ক:  মার্চ মাস স্মরণীয় হয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বীপরাজ্য ভার্জিনিয়ার মানুষের কাছে। ১৭৭৫ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন ভার্জিনিয়া রাজ্যের শাসক পেট্রিক হেনরি রিমেন্ডের সেইন্ট জন চার্চে উপস্থিত স্থানীয় নেতা, আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসন ও জর্জ ওয়াশিংটন এবং সর্বস্তরের জনগণের উদ্দেশে ব্রিটিশ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ডাক দেন। যুগ যুগ ধরে বিপ্লবের যে চেতনা ভার্জিনিয়াবাসীর হৃদয়ে ছাইচাপা আগুনের মতো জ্বলছিল, তাই যেন স্ফুলিঙ্গ হয়ে ধরা দেয় পেট্রিক হেনরির এক উচ্চারণে— ‘আমাকে স্বাধীনতা দাও, নয়তো মৃত্যু’। যুদ্ধের ডাক দেওয়ার আগে শান্তি প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে হেনরি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় যা কিছু তিনি করেছেন, তা কাজ করেনি, কাজ করছে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তাই সমাধানের একটাই পথ তিনি দেখেন, তা হলো—যুদ্ধ করা, যা অচিরেই নয় এখনই শুরু করতে হবে। কারণ যুদ্ধ এড়ানোর কোনো পথ নেই। তাই তাকে সাহসিকতার সঙ্গে আলিঙ্গন করতে হবে। এই যুদ্ধে পিছ-পা হওয়ার অর্থ দাসত্বকে মেনে নেওয়া। তাই হেনরি পরাধীনতার শিকলের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, এই শিকলে জং ধরে গেছে। শিকলের ঝন-ঝনানি শব্দ শোনা যাচ্ছে। অবশ্যম্ভাবী যুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে দুবার উচ্চারণ করেন, ‘তাকে আসতে দাও, তাকে আসতে দাও’। যুদ্ধরত অন্যদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমাদের ভাইরা লড়াই শুরু করেছে। সুতরাং অলস বসে থাকার সময় নেই। ভদ্রতা দেখানোর সময় নেই। এরপর তিনি ছুড়ে দেন এক ঐতিহাসিক প্রশ্ন, ‘জীবন কি এতই প্রিয় আর শান্তি কি এতই মধুর যে, শিকল আর দাসত্বের দামে তাকে কিনতে হবে?’ এ প্রশ্নের স্বঘোষিত উত্তরই যেন তার অমর বাণী, ‘আমি জানি না অন্যরা কোন পথ বেছে নেবে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে বলব—আমাকে স্বাধীনতা দাও, নয়তো মৃত্যু’। পেট্রিক হেনরির এই আবেদনে ব্যাপক সাড়া ফেলে উপস্থিত জনতার মাঝে। বৃথা যায়নি হেনরির সাহসী উচ্চারণ।