17-Mon-Jun-2019 03:50am

Position  1
notNot Done

মহাজোটের যারা মনোনয়ন পেল

গনি আল-মারুফ

2018-12-8 18:50:32

দ্য পলিটিক্স রিপোর্ট:একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য দল ও জোটের চূড়ান্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।  সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এই চিঠি তুলে দেন।
এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মোটামুটি ২৪০ জন প্রার্থী চূড়ান্ত। জোটের শরিকদের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টি ৫ আসনে, জাসদ ৩টিতে, বিকল্পধারা বাংলাদেশের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট ৩টিতে, তরীকত ২টিতে, জেপি-মঞ্জু ২টি আসনে ও জাসদ-আম্বিয়ার ১ জন প্রার্থী  নৌকা প্রতীকে লড়বেন। এ ছাড়া সব মিলিয়ে শরিকদের প্রায় ৬০টি আসন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি ৪০-৪২টি আসনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়বে। এই ৪২টিতে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নির্বাচন করবেন না। তিনি বলেন, তবে দু-একজন এদিক-ওদিক হতে পারে। জয়ী হতে পারে এমন প্রার্থী দেখেই আমরা মনোনয়ন দিয়েছি। চাইলে জোটের শরিকরা তাদের নিজস্ব প্রতীক নিয়ে ভোট করতে পারেন। আমরা শুধু নৌকা প্রতীকে কয়েকটি আসন দিলাম। সবারই বেশি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তবে আমরা এর বেশি দিতে পারছি না।’ চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা মনোনয়ন দেওয়া শেষ করেছি। যারা চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন, তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। ১৭টি আসনে একাধিক প্রার্থী ছিল, আমরা তা সিঙ্গেল করে নিয়ে এসেছি। বেশিরভাগ চূড়ান্ত প্রার্থীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আজ মনোনয়নের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’ প্রসঙ্গত, গত ২৫ নভেম্বর দলীয় মনোনয়নের চিঠি বিতরণ শুরু করে আওয়ামী লীগ। এর আগে গত ৯ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে দলটি। ৩০০ আসনে ৪ হাজার ২৩ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী মনোনয়ন ফরম জমা দেন। ১২ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়া শেষ হয়।  ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ২৬৪টি আসনে ২৮১ জন প্রার্থীর মধ্যে নৌকার বৈধ প্রার্থী হন ২৭৮ জন, তিনজনের আবেদন বাতিল হয়। ১৭টি আসনে দুজন করে প্রার্থী রাখা হয়েছিল। গতকাল চূড়ান্ত একক প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। জোট ও আওয়ামী লীগের একক চিঠি পাওয়া প্রার্থীরা হলেন —

মাজহারুল হক প্রধান (পঞ্চগড়-১), নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশ চন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), ইয়াসিন আলী (ওয়ার্কার্স পার্টি) (ঠাকুরগাঁও-৩) মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), শিবলী সাদিক (দিনাজপুর-৬), আফতাব উদ্দিন সরকার (নীলফামারী-১), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমানিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী (রংপুর-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচ এন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), শিরীন শারমিন চৌধুরী (রংপুর-৬), রুহুল আমিন (জেপি) (কুড়িগ্রাম-৪), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), মনোয়ার হোসেন (গাইবান্ধা-৪), ফজলে রাব্বী মিয়া (গাইবান্ধা-৫) শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (জাসদ) (বগুড়া-৪), হাবিবর রহমান (বগুড়া-৫), সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), মু. জিয়াউর রহমান (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), আবদুল ওদুদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), সাধন চন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ছলিম উদ্দিন তরফদার (নওগাঁ-৩), মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রাং (নওগাঁ-৪), নিজামউদ্দিন জলিল জন (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), ফজলে হোসেন বাদশা (ওয়ার্কার্স পার্টি) (রাজশাহী-২), আয়েন উদ্দিন (রাজশাহী-৩), এনামুল হক (রাজশাহী-৪), ডা. মনসুর রহমান (রাজশাহী-৫), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), মো. শহিদুল ইসলাম বকুল (নাটোর-১), শফিকুল ইসলাম শিমুল (নাটোর-২), জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), আবদুল কুদ্দুস (নাটোর-৪), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল আজিজ (সিরাজগঞ্জ-৩), তানভীর ইমাম (সিরাজগঞ্জ-৪), আবদুল মমিন মণ্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), শামসুল হক টুকু (পাবনা-১), আহমেদ ফিরোজ কবীর (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন (মেহেরপুর-১), সাহিদুজ্জামান খোকন (মেহেরপুর-২), সারোয়ার জাহান বাদশা (কুষ্টিয়া-১), হাসানুল হক ইনু (জাসদ) (কুষ্টিয়া-২), মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), সেলিম আলতাফ জর্জ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার সেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগর টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), আবদুল হাই (ঝিনাইদহ-১), তাহজীব আলম সিদ্দিকী (ঝিনাইদহ-২), শফিকুল আজম খান চঞ্চল (ঝিনাইদহ-৩), আনোয়ারুল ইসলাম আনার (ঝিনাইদহ-৪), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), মেজর জেনারেল (অব.) নাসির (যশোর-২) কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিত কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য যশোর-৫, ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), এ সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), শ্রী বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), কবিরুল হক মুক্তি (নড়াইল-১), মাশরাফি বিন মর্তুজা (নড়াইল-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), শেখ সারহান নাসের তন্ময় (বাগেরহাট-২), হাবিবুন নাহার (বাগেরহাট-৩), মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট-৪), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল (খুলনা-২), বেগম মন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), আকতারুজ্জামান বাবু (খুলনা-৬), মোস্তফা লুত্ফুল্লাহ (ওয়ার্কার্স পার্টি) (সাতক্ষীরা-১), মীর মোশতাক আহমেদ রবি (সাতক্ষীরা-২), আ.ফ.ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এস এম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪), ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান (বরগুনা-২), শাজাহান মিয়া (পটুয়াখালী-১), আ স ম ফিরোজ (পটুয়াখালী-২), এস এম শাহাজাদা (পটুয়াখালী-৩), মহিবুর রহমান (পটুয়াখালী-৪), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), আলী আজম (ভোলা-২), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), শাহে আলম (বরিশাল-২), টিপু সুলতান (ওয়ার্কার্স পার্টি) (বরিশাল-৩) পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম (বরিশাল-৫), বজলুল হক হারুন (ঝালকাঠি-১), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১), আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (জেপি) (পিরোজপুর-২), আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), তানভীর হাসান (ছোট মনির) (টাঙ্গাইল-২), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), আহসানুল ইসলাম টিটু (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), জোয়াহেরুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৮), আবুল কালাম আজাদ (জামালপুর-১), ফরিদুল হক খান (জামালপুর-২), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪), প্রকৌশলী মোজাফফর হোসেন (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), বেগম মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), এ কে এম. ফজলুল হক (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), শরীফ আহমেদ (ময়মনসিংহ-২), নাজিম উদ্দিন আহমেদ (ময়মনসিংহ-৩), মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), রুহুল আমিন মাদানী ময়মনসিংহ-৭, আনোয়ারুল আবেদীন খান (ময়মনসিংহ-৯), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), কাজিমউদ্দিন আহমেদ ধনু (ময়মনসিংহ-১১), মানু মজুমদার (নেত্রকোনা-১), আশরাফ আলী খান খসরু (নেত্রকোনা-২), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), বেগম রেবেকা মোমিন (নেত্রকোনা-৪), ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (নেত্রকোনা-৫), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এ এম নাঈমুর রহমান (মানিকগঞ্জ-১), মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২), জাহেদ মালিক (মানিকগঞ্জ-৩), মাহী বি চৌধুরী (বিকল্পধারা) (মুন্সীগঞ্জ-১), বেগম সাগুফতা ইয়াসমিন (মুন্সীগঞ্জ-২), মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), সালমান এফ রহমান ঢাকা-১, কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), নসরুল হামিদ (ঢাকা-৩), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), হাজী সেলিম (ঢাকা-৭), রাশেদ খান মেনন (ওয়ার্কার্স পার্টি) (ঢাকা-৮), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), এ কে এম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খাঁন (ঢাকা-১২), সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), আকবর হোসেন পাঠান ফারুক (ঢাকা-১৭), বেগম সাহারা খাতুন (ঢাকা-১৮), ডা. এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), বেনজির আহমেদ (ঢাকা-২০), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), ইকবাল হোসেন সবুজ (গাজীপুর-৩), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), বেগম মেহের আফরোজ (গাজীপুর-৫), মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (নরসিংদী-১), আনোয়ারুল আশরাফ খান (নরসিংদী-২), জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন (নরসিংদী-৩), নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (নরসিংদী-৪), রাজিউদ্দিন আহমেদ (নরসিংদী-৫), গোলাম দস্তগীর গাজী (নারায়ণগঞ্জ-১), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২), মনজুর হোসেন (ফরিদপুর-১), সাজেদা চৌধুরী (ফরিদপুর-২), খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফর উল্যাহ (ফরিদপুর-৪), মুহম্মদ ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), আবদুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১),  জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এম এ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), এম এ মোমেন (সিলেট-১), মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী (সিলেট-৩), ইমরান আহমেদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), এম এম শাহীন (বিকল্পধারা) (মৌলভীবাজার-২), নেছার আহমেদ (মৌলভীবাজার-৩), আবদুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪), আবদুল মজিদ খান (হবিগঞ্জ-২), আবু জাহির (হবিগঞ্জ-৩), মাহবুব আলী (হবিগঞ্জ-৪), বদরুদ্দোজা ফরহাদ সংগ্রাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১), র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), এবাদুল হক করিম বুলবুল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভুঁইয়া (কুমিল্লা-১), সেলিমা আহমাদ মেরি (কুমিল্লা-২), ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন (কুমিল্লা-৩), রাজী মোহাম্মদ ফখরুল (কুমিল্লা-৪), আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), নুরুল ইসলাম মিলন (কুমিল্লা-৮), তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৯), আ হ ম মুস্তফা কামাল (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মহীউদ্দীন খান আলমগীর (চাঁদপুর-১), নুরুল আমিন রুহুল (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), মুহম্মদ শফিকুর রহমান (চাঁদপুর-৪), শিরিন আকতার (জাসদ) (ফেনী-১), নিজাম উদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), এইচ এম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), মোর্শেদ আলম (নোয়াখালী-২) মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ কিরণ (নোয়াখালী-৩), মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী-৪), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), আনোয়ার হোসেন খান (তরীকত ফেডারেশন) (লক্ষ্মীপুর-১), এ কে এম শাহজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), আবদুল মান্নান (বিকল্পধারা) (লক্ষ্মীপুর-৪), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারি (চট্টগ্রাম-২), মাহফুজুর রহমান মিতা (চট্টগ্রাম-৩), দিদারুল আলম (চট্টগ্রাম-৪), এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬), মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), মঈন উদ্দিন বাদল (জাসদ-আম্বিয়া) (চট্টগ্রাম-৮), মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), আফসারুল আমিন (চট্টগ্রাম-১০), এম আবদুল লতিফ (চট্টগ্রাম-১১), সামছুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১২), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৬), নজরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৪), আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী (চট্টগ্রাম-১৫), মোস্তাফিজুর রহমান (চট্টগ্রাম-১৬), জাফর আলম (কক্সবাজার-১), আশেক উল্লাহ রফিক (কক্সবাজার-২), সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহীন আকতার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), দীপঙ্কর তালুকদার রাঙামাটি, বীর বাহাদুর উশৈ সিং (পার্বত্য বান্দরবান)।
লাঙল নিয়ে মহাজোটগতভাবে ভোট করবেন যারা : জাতীয় পার্টি সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে গতকাল রাতে শীর্ষ নেতাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এবার আওয়ামী লীগ ৪২টি আসন ছাড় দিতে চেয়েছে জাতীয় পার্টিকে। কিছু আসন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো উন্মুক্ত রাখা হতে পারে। সেখানে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ মহাজোটের অন্য শরিকরাও নিজস্ব প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়বেন। তবে জাতীয় পার্টির সূত্রে পাওয়া জোটগতভাবে লাঙল নিয়ে নির্বাচন করবেন যারা— হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রংপুর-৩, বেগম রওশন এরশাদ ময়মনসিংহ-৪, এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার পটুয়াখালী-১, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ চট্টগ্রাম-৫, কাজী ফিরোজ রশীদ ঢাকা-৬, জিয়াউদ্দিন বাবলু রংপুর-২, মসিউর রহমান রাঙ্গা রংপুর-১, মজিবুল হক চুন্নু কিশোরগঞ্জ-৩, নাসরিন জাহান রতনা বরিশাল-৬, আদেলুর আদেল নীলফামারী-৪, ড. আক্কাস আলী সরকার কুড়িগ্রাম-৩, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-১, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ বগুড়া-২, নুরুল ইসলাম তালুকদার বগুড়া-৩, নুরুল ইসলাম ওমর বগুড়া-৬, অ্যাড. আলতাফ আলী বগুড়া-৭, রম্নসত্মম আলী ফরাজী পিরোজপুর-৩, ফখরম্নল ইমাম ময়মনসিংহ-৮, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ঢাকা-৪, লিয়াকত হোসেন খোকা নারায়ণগঞ্জ-৩, সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জ-৫, পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ সুনামগঞ্জ-৪, ইয়াহিয়া চৌধুরী সিলেট-২, , মোঃ নোমান লক্ষ্মীপুর-২, গোলাম মোহাম্মদ কাদের লালমনিরহাট-৩, লেঃ জেঃ (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ফেনী-৩, মাসুদ পারভেজ ( সোহেল রানা) বরিশাল-২, আলহাজ্ব আতিকুর রহমান হবিগঞ্জ-১, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, পনির উদ্দিন আহমেদ কুড়িগ্রাম-২, আবুল হোসেন রাজশাহী-৫, আজাহার হোসেন সাতড়্গিরা-২, ব্যরিস্টার দিলারা খন্দকার গাইবান্ধা-৩, পীরজাদা শফিউলস্নাহ আল মুনির টাঙ্গাইল-৫। এর বাইরে আরো কয়েকটি আসন জোটগতভাবে পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জাতীয় পার্টি। এছাড়া ৭টি আসনে জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগের জন্য ওপেন থাকতে পারে।