17-Mon-Dec-2018 07:44am

Position  1
notNot Done

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী

Zakir Hossain

2018-02-7 23:09:26

দ্য পলিটিক্স ডেস্ক:  সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী জন্ম ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মাতুলালয়ে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।তাঁর পিতা সৈয়দ শাহ হামিদউল্লাহে এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। তাঁর স্বামী গোলাম আকবর চৌধুরী ভাষা সৈনিক, মুজিব নগর সরকারের প্লানিং সেলের সদস্য,লেখক এবং দেশের বিশিষ্ট বিমা ব্যক্তিত্ব। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।তিনি ১৯৫৬ সালে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। তিনি ১৯৬৯-১৯৭৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদিকা ,মুক্তিযুদ্বকালীন কলিকাতা গোবরা নাসিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠিাতা পরিচালক,১৯৭২-১৯৭৫ সময়ে নারী পুর্নবাসন বোর্ডের পরিচালক,১৯৭২-১৯৭৬ সময়ে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার ,১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ক্রান্তিকালীন সময়ে আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করতে ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশ আও্য়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জেোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৮৩-১৯৮৬ সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক, ১৯৮৬-১৯৯২ সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক,১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে এবং বর্তমানে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী রাজনীতির পাশাপাশি সমাজ উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের সাথে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। শিক্ষা ,সংস্কৃতি,ক্রীড়া ওধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তিনি অবদান রেখে চলেছেন। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৭৪ সালে গ্রামীন উন্নয়ন ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো ফেলোশীপ প্রাপ্ত হন। একই সালে তিনি বাংলাদেশ গার্ল-গাইড এসোসিয়েশনের ন্যাশনাল কমিশনার হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মানসূচক সনদ সিলভার এলিফ্যান্ট পদক লাভ করেন। তিনি ২০০০ সালে আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল ইন্সষ্টিটিউট কর্তৃক WOMAN OF THE YEAR নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ২০১০ সালে স্বাধীনতা পদকে ভুষিত হন। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৭০-১৯৭৩ সময়ে জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং ১৯৭৩-১৯৭৫ সময়ে ১ম জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।পরবর্তিতে তিনি ১৯৯১-১৯৯৫ সময়ে ৫ম জাতীয় সংসদ এবং ১৯৯৬-২০০১ সময়ে ৭ম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ৫ম জাতীয় সংসদে তিনি সংস্থাপন মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এবং ৭ম জাতীয় সংসদে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদের নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং এদেশের ইতিহাসে প্রথম মহিলা হিসেবে জাতীয় সংসদের উপ-নেতার দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। তিনি নবম জাতীয় সংসদে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি ,সংস্থাপন মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি এবং কার্য উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মুক্তিযুদ্বে অংশগ্রহন উপলক্ষ্যে সর্বপ্রথম ভারত গমন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সম্বেলন ,সরকারী কাজ ও শুভেচ্ছা সফরে রাশিয়া,সাইপ্রাস,জাপান,যুক্তরাষ্ট্র, চীন,কেনিয়া, মিশর,জার্মানী , সুইডেন, নেদারল্যান্ড সহ বহু দেশ সফর করেন। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী তিন পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জননী। বই পড়া রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনা ও সমাজসেবা তাঁর অন্যতম সখ।